শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাতারহাট আর সি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।
নিউজ ডেস্ক শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাতারহাট আর সি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা বিজয়ী হলে দেশে আর কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটবে না।
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন যেখানে থেমে গেছে আমরা সেখান থেকে উন্নয়ন শুরু করব। দেশ থেকে ২৮ লাখ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। ক্ষমতায় গেলে যারা এসব টাকা পাচার করেছে তাদের মুখ থেকে, পেটের মধ্য থেকে পাচার করা টাকা বের করে আনা হবে। আমরা কোনো দল, কোনো পরিবারের বিজয় দেখতে চাই না।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা দুর্নীতির ডাল আর পাতা ধরে টান দেব না, আমরা ঝাড় ধরে টান দেব। আমরা চাঁদাবাজি করতে দেব না, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২৮ লাখ কোটি টাকা লুটপাট-পাচার করেছে, সেই টাকা আনতে হলে যারা কোনো লুটপাটের সঙ্গে নেই তাদের ক্ষমতায় আনতে হবে। যারা লুটপাটের সঙ্গে জড়িত তারা এই টাকা আনতে পারবে না।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জীবন দিতে রাজি আছি কিন্তু কোনো মায়ের ইজ্জত দিতে রাজি নই। কেউ কেউ ষড়যন্ত্র শুরু করেছিল কিন্তু তা তাদের নিজেদের দিকেই পাল্টা গিয়েছে। আমি যেটা বলি নাই সেটা নিয়ে তারা মিথ্যাচার করছে। আমরা দেশে মায়ের-মেয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব।
তিনি বলেন, আমরা আমাদের কোনো অফিসে যেতে পারিনি। আমাদের সংগঠন নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে, নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। একটি মাত্র দল যাদের হাজার কর্মীকে আটক করা হয়েছে, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, তারপরও তারা জনগণের জন্য কাজ করে গেছে।
জামায়াত আমির বলেন, আমাদের হাতে অঢেল সম্পদ ছিল না, কিন্তু ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে পাশে থেকেছি। ৫ তারিখের পর আমরা যখন সুযোগ পেয়েছি তখন আমরা বলেছি। কারো বিরুদ্ধে কোনো প্রতিশোধ নিইনি, কোনো মামলা করিনি। আমরা মানুষের সম্পদের পাহারাদার হিসেবে কাজ করেছি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১২ তারিখ প্রথম ভোট হবে গণভোট, হ্যাঁ ভোট। পরের ভোট হবে দাঁড়িপাল্লায়, একটা বার সুযোগ দেন, কোনো ধর্মের-বর্ণের বৈষম্য থাকবে না, যার যার যোগ্যতা অনুযায়ী দেশটা গড়ব। এই বাংলাদেশই থাকবে, তবে এর চরিত্র বদলে যাবে, এটা হবে গণমানুষের বাংলাদেশ।