ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিবিকা বলেন, ‘রাশিয়া ৬৭৯ জন ইউক্রেনীয় শিশুকে হত্যা করেছে যারা আর কোনোদিন ফুটবল খেলতে পারবে না। অথচ ফিফা প্রধান সেই নিষেধাজ্ঞা তোলার প্রস্তাব দিচ্ছেন।
ইউক্রেনের ক্রীড়ামন্ত্রী মাতভি বিডনি ইনফান্তিনোর বক্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ এবং ‘শিশুসুলভ’ বলে সমালোচনা করেছেন।
ইনফান্তিনো দাবি করেছেন, এই নিষেধাজ্ঞা কোনো ফল দেয়নি বরং ঘৃণা বাড়িয়েছে। এর প্রতিবাদে ইউক্রেনীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইউএফএ) জানায়, আগ্রাসন বন্ধে এটি একটি কার্যকর মাধ্যম এবং রাশিয়াকে ফুটবলে ফিরিয়ে আনা প্রতিযোগিতার নিরাপত্তা ও সততাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।
ইউক্রেনীয় ক্লাব শাখতার দোনেৎস্ক-এর সিইও সের্গেই পালকিন মনে করেন, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পর ২০১৮ বিশ্বকাপ রাশিয়ায় আয়োজন করতে দিয়ে ফিফা পুতিনকে এই বার্তা দিয়েছিল যে তার কর্মকাণ্ড সব ঠিক আছে।
২০১৮ বিশ্বকাপের সফল আয়োজনের পর ২০১৯ সালে ক্রেমলিনে এক অনুষ্ঠানে পুতিন ইনফান্তিনোকে ‘অর্ডার অফ ফ্রেন্ডশিপ’ পদক প্রদান করেছিলেন। সে সময় ইনফান্তিনো পুতিনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছিলেন, এটি তাদের ফলপ্রসূ সহযোগিতার কেবল শুরু। ইউক্রেনীয় নেতাদের মতে, সেই অতি-ঘনিষ্ঠতার কারণেই আজ ইনফান্তিনো রাশিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার চেষ্টা করছেন।
ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়া নিষিদ্ধ থাকলেও গাজা সংঘাত নিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ফিফার বিরুদ্ধে ‘দ্বিমুখী নীতি’র অভিযোগ তুলেছে প্যালেস্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। ইনফান্তিনো রাশিয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা সরানোর কথা বললেও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়াকে ‘পরাজয়’ হিসেবে দেখছেন।
নিউজ ডেস্ক 














