সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে বাংলাদেশ যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি মূলত এই যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে এবং আগে যুবলীগের কমিটিতে যে পদ সংখ্যা ছিল তার থেকে এবার বিস্তৃত করে সেই সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এতে করে অনেকেই সুযোগ পেয়েছেন যুবলীগের কমিটিতে থাকা এবং তুলনামূলক প্রতিযোগিতা কম হয়েছে তবে এবার যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিতর্কিত যারা ছিল তাদেরকে বাদ দেয়া হয়েছে এবং নতুনদেরকে সুযোগ দেয়া হয়েছে সেইসাথে এবারের কমিটিতে চমকপ্রদ কিছু এসেছে এবং তাদের নিয়ে চতুর্দিকে চলছে প্রশংসা

আমার পদ নিয়ে কেন ব্যক্তি বিশেষের এতো মাথা ব্যথা-এমন প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নবনিযুক্ত সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, ’আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রীকে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বিশেষ ও পরিবার ছাড়া অন্যরা ভালোবাসতে পারবে না তা কিন্তু নয়। এখন আমার রাজনৈতিক কমিটমেন্টের কারণে আমার অবস্থান যদি শক্ত হলে কারও ভীত নড়বড়ে হয়ে গেছে ভাবে, সেটা তাদের বিষয়। আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে উনার একজন কর্মী হিসেবে কাজ করেছি, সামনেও করে যাব। রাজনীতি করে আমি এক টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছি তা কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। আমি দেশের সব নিয়ম-কানুন মেনে ব্যবসা করি।’

তিনি বলেন, ’রাজনীতি করি বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রীকে ভালোবাসি আর দেশের মানুষের পাশে থাকার ক্ষুদ্র চেষ্টা থেকেই। এখানে চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। আল্লাহ কাউকে সম্মান দিলে সেখানে হিংসুক লোকজন কি তা কেড়ে নিতে পারে? আমিতো আমার রাজনীতি করছি। কারও বাড়া ভাতে ছাই দিচ্ছি না। তাহলে কতিপয় ব্যক্তি বিশেষের কেন এতো মাথা ব্যথা? মিরসরাই আমার জন্মস্থান সেটা তো অপরাধ হতে পারে না!’

এলিট আরও বলেন, ’আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে গিয়ে আমি পারিবারিক ব্যবসা থেকে বের হয়েছি। আমার বাবা অন্য রাজনীতি করে বলে তার সঙ্গেও আমার সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়েছে। আমার নিজস্ব একটা পরিচয় আছে। দলের জন্য কাজ করছি। ক্রীড়াসহ নানা সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত দীর্ঘদিন ধরে। এরপরও কেন আমার বাবার কথা বলে আমাকে টেনে নামানোর চিন্তা? এসব গতবার আন্তর্জাতিক উপ কমিটির সদস্য পদ পাবার সময়ও করা হয়েছিল। নেতারা সবই অবগত আছেন। আমি হলফ করে বলছি, আমি কোনও দিন আওয়ামী লীগের বাইরে যদি অন্য কোনও দল করেছি একদিনের জন্যও সেটা কেউ প্রমাণ করতে পারে তাহলে যুবলীগের পদ থেকে পদত্যাগ করব। আমার বিরুদ্ধে যেসব অপপ্রচার করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন মনগড়া ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত।’

তরুণ এ রাজনীতিক বলেন, ’পদ-পদবী প্রত্যেক কর্মীর জন্য অলঙ্কার স্বীকৃতি। জননেত্রী শেখ হাসিনা ও যুবলীগ সভাপতি পরশ ভাই আমাকে তাদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন তাই কৃতজ্ঞ। কিন্তু পদে না রাখলেও আমি কাজ করতাম না তা নয় সুতরাং একটা সদস্য পদ নিয়ে কারও এতো বিচলিত হবার কিছু নেই। আমার পিতা অন্যদল করে সেটা নিয়ে আমাকে বিতর্কিত করার অপ্রচেষ্টা হচ্ছে। উনিও তো আওয়ামী লীগই করতেন। উনি কেন দলত্যাগ করলেন, সেটারও কারণ বের করা দরকার। কেন তিনি আওয়ামী লীগে থাকতে পারেননি। এ রকম আওয়ামী লীগের মত গণমানুষের একটি দলকে যদি একটি পরিবার ও গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় তাহলে তো সেটা দলের জন্য কখনও মঙ্গল বয়ে আনবে না।’

এলিট বলেন, ’রাজনীতিতে নানা মত থাকবে, তবে আদর্শের ঠিকানা একটাই, একজনই। আমাদের আদর্শিক নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার আদর্শ বাস্তবায়নে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয় যে কোনও নাগরিকই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে পারে। আমিও স্কুলজীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলাম। কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতি করার পর গতবার আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপকমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার কাজের মূল্যায়ন করে যুবলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি আমাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান দিয়েছেন। আমিও তাদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করব।’


নেতিবাচক বিভিন্ন কর্মকান্ড ছেড়ে বাংলাদেশ যুবলীগের সম্বন্ধে মানুষের মনে গেঁথে ছিল নেতিবাচক ধারণা মূলত কিছু অসাধু নেতাকর্মীরা তাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে এ সকল কর্মকান্ড করেছিল এই কারণেই যুবলীগের নাম সমালোচনার খাতায় উঠেছিল তবে এবার যুবলীগের নতুন কমিটিকে বিতর্কিত যারা রয়েছেন এ ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন যারা অতীতে তাদেরকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং নতুন করে অনেককে টেনে নেয়া হয়েছে সেখানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অনেককে নেয়া হয়েছে এবং ছাত্রলীগের থেকে কয়েকজনকে নেওয়া হয়েছে

Sites

আমার পদ নিয়ে ব্যক্তি বিশেষের এতো মাথা ব্যথা কেন : এলিট
Logo
Print

জাতীয়

 

সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে বাংলাদেশ যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি মূলত এই যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে এবং আগে যুবলীগের কমিটিতে যে পদ সংখ্যা ছিল তার থেকে এবার বিস্তৃত করে সেই সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এতে করে অনেকেই সুযোগ পেয়েছেন যুবলীগের কমিটিতে থাকা এবং তুলনামূলক প্রতিযোগিতা কম হয়েছে তবে এবার যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিতর্কিত যারা ছিল তাদেরকে বাদ দেয়া হয়েছে এবং নতুনদেরকে সুযোগ দেয়া হয়েছে সেইসাথে এবারের কমিটিতে চমকপ্রদ কিছু এসেছে এবং তাদের নিয়ে চতুর্দিকে চলছে প্রশংসা

আমার পদ নিয়ে কেন ব্যক্তি বিশেষের এতো মাথা ব্যথা-এমন প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নবনিযুক্ত সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, ’আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রীকে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বিশেষ ও পরিবার ছাড়া অন্যরা ভালোবাসতে পারবে না তা কিন্তু নয়। এখন আমার রাজনৈতিক কমিটমেন্টের কারণে আমার অবস্থান যদি শক্ত হলে কারও ভীত নড়বড়ে হয়ে গেছে ভাবে, সেটা তাদের বিষয়। আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে উনার একজন কর্মী হিসেবে কাজ করেছি, সামনেও করে যাব। রাজনীতি করে আমি এক টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছি তা কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। আমি দেশের সব নিয়ম-কানুন মেনে ব্যবসা করি।’

তিনি বলেন, ’রাজনীতি করি বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রীকে ভালোবাসি আর দেশের মানুষের পাশে থাকার ক্ষুদ্র চেষ্টা থেকেই। এখানে চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। আল্লাহ কাউকে সম্মান দিলে সেখানে হিংসুক লোকজন কি তা কেড়ে নিতে পারে? আমিতো আমার রাজনীতি করছি। কারও বাড়া ভাতে ছাই দিচ্ছি না। তাহলে কতিপয় ব্যক্তি বিশেষের কেন এতো মাথা ব্যথা? মিরসরাই আমার জন্মস্থান সেটা তো অপরাধ হতে পারে না!’

এলিট আরও বলেন, ’আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে গিয়ে আমি পারিবারিক ব্যবসা থেকে বের হয়েছি। আমার বাবা অন্য রাজনীতি করে বলে তার সঙ্গেও আমার সম্পর্ক ছিন্ন করতে হয়েছে। আমার নিজস্ব একটা পরিচয় আছে। দলের জন্য কাজ করছি। ক্রীড়াসহ নানা সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত দীর্ঘদিন ধরে। এরপরও কেন আমার বাবার কথা বলে আমাকে টেনে নামানোর চিন্তা? এসব গতবার আন্তর্জাতিক উপ কমিটির সদস্য পদ পাবার সময়ও করা হয়েছিল। নেতারা সবই অবগত আছেন। আমি হলফ করে বলছি, আমি কোনও দিন আওয়ামী লীগের বাইরে যদি অন্য কোনও দল করেছি একদিনের জন্যও সেটা কেউ প্রমাণ করতে পারে তাহলে যুবলীগের পদ থেকে পদত্যাগ করব। আমার বিরুদ্ধে যেসব অপপ্রচার করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন মনগড়া ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত।’

তরুণ এ রাজনীতিক বলেন, ’পদ-পদবী প্রত্যেক কর্মীর জন্য অলঙ্কার স্বীকৃতি। জননেত্রী শেখ হাসিনা ও যুবলীগ সভাপতি পরশ ভাই আমাকে তাদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন তাই কৃতজ্ঞ। কিন্তু পদে না রাখলেও আমি কাজ করতাম না তা নয় সুতরাং একটা সদস্য পদ নিয়ে কারও এতো বিচলিত হবার কিছু নেই। আমার পিতা অন্যদল করে সেটা নিয়ে আমাকে বিতর্কিত করার অপ্রচেষ্টা হচ্ছে। উনিও তো আওয়ামী লীগই করতেন। উনি কেন দলত্যাগ করলেন, সেটারও কারণ বের করা দরকার। কেন তিনি আওয়ামী লীগে থাকতে পারেননি। এ রকম আওয়ামী লীগের মত গণমানুষের একটি দলকে যদি একটি পরিবার ও গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় তাহলে তো সেটা দলের জন্য কখনও মঙ্গল বয়ে আনবে না।’

এলিট বলেন, ’রাজনীতিতে নানা মত থাকবে, তবে আদর্শের ঠিকানা একটাই, একজনই। আমাদের আদর্শিক নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার আদর্শ বাস্তবায়নে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষীয় যে কোনও নাগরিকই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে পারে। আমিও স্কুলজীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলাম। কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতি করার পর গতবার আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপকমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার কাজের মূল্যায়ন করে যুবলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি আমাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান দিয়েছেন। আমিও তাদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করব।’


নেতিবাচক বিভিন্ন কর্মকান্ড ছেড়ে বাংলাদেশ যুবলীগের সম্বন্ধে মানুষের মনে গেঁথে ছিল নেতিবাচক ধারণা মূলত কিছু অসাধু নেতাকর্মীরা তাদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে এ সকল কর্মকান্ড করেছিল এই কারণেই যুবলীগের নাম সমালোচনার খাতায় উঠেছিল তবে এবার যুবলীগের নতুন কমিটিকে বিতর্কিত যারা রয়েছেন এ ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন যারা অতীতে তাদেরকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং নতুন করে অনেককে টেনে নেয়া হয়েছে সেখানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অনেককে নেয়া হয়েছে এবং ছাত্রলীগের থেকে কয়েকজনকে নেওয়া হয়েছে
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.