বাংলাদেশ ভারত পার্শ্ববর্তি দুটি দেশ। প্রতিবেশী দেশ হওয়ার কারনে এ দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক শুরু থেকেই বেশ গভীর। তবে হিসেবের খাতায় বরাবরই বাংলাদেশে থেকে যায় একটু পিছিয়ে। বিশেষ করে দেয়া নেয়ার পাল্লায় ভারতের দিকটি সব সময় থাকে গভীর। যার প্রমান মিলেছে বার বার। সম্প্রতি আবারো বাংলাদেশকে পেয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। আর এ নিয়েই এখন সারা দেশে চলছে নানাবিধ আলোচনা সমালোচনা। এ দিকে ভারতকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে ঢাকা। এতে দুই প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে বিবেচনায় নিয়ে পেঁয়াজ রফতানির কথা জানানো হয়।

বুধবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে এ বিষয়ে একটি কূটনৈতিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ভারতকে দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ রফতানির নীতিমালায় ভারত হঠাৎ করে পরিবর্তন আনার ঘোষণা বাংলাদেশকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। কারণ এতে করে বাংলাদেশের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে সরাসরি প্রভাব পড়েছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়, হুট করে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের বিষয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত সরকারের আকস্মিক ঘোষণা দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের ২০১৯ ও ২০২০ সালের আলোচনা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সমঝোতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি পুনরায় শুরু করতে ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


এই প্রথমবার নয়। এর আগেও বাংলাদেশে পেয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। আর এই পেয়াজের রফতানি বন্ধ হয়ে গেলে প্রতিবারই বেশ বিপাকে পড়তে হয় বাংলাদেশকে। দেশের বাজারে বেড়ে ওঠে পেয়াজের দাম। যার ফলে বাংলাদেশে দেখা দেয় সংকট। আর এই কারনেই এত তড়িঘরি করে ভারতকে বাংলাদেশ চিঠি দিয়েছে পেয়াজ রফতানি অব্যাহত রাখতে।

Sites