বিশ্বব্যাপী করণা মহামারীর দাপট এখনো চলেছে এবং চলমান এই পরিস্থিতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ধরাশায়ী হয়ে পড়েছে বিশ্বের অন্য সকল দেশের মতো বাংলাদেশেও এই ভাইরাস এর প্রভাব বেশ ভালোভাবেই দাপট দেখাচ্ছেপ্রথমদিকে অবশ্য তেমন ভাবে এর প্রভাব লক্ষ্য করা না গেলেও পরবর্তীতে এটি ব্যাপকভাবে দেশে প্রভাব ফেলেছে এবং এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অনেকেই চলে গেছে না ফেরার দেশে তবে দেশে সুস্থতার হারো একেবারে কম নয়

মহামারি করোনাভাইরাস শনাক্তে নমুনা পরীক্ষার তুলনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৪টি করোনা পরীক্ষাগারে ১৫ হাজার ১৪২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা হয়েছে ১৪ হাজার ৯৭৩টি। এতে নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৮৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

সম্প্রতি নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার কমলেও তা ১৫-১৭ শতাংশের মধ্যে ছিল। আজ মঙ্গলবার তা ১২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে আসে।

রোগতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত দুই সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষার হিসেবে শনাক্তের হার কিছুটা কমে এসেছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে এবং শনাক্তের হার পাঁচ শতাংশের নিচে নেমে আসলে প্রকৃতপক্ষে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমেছে বলা যাবে।

এদিকে ধারাবাহিকভাবে করোনা শনাক্তের হার হ্রাস পাওয়ায় প্রাথমিক পর্যায়ের স্কুল খোলার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে পুরুষ ১৯ জন ও নারী ১৭ জন। ৩৫ জন হাসপাতালে ও বাড়িতে একজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল চার হাজার ৫৫২ জনে।

নতুন করে আরও এক হাজার ৮৯২ জন শনাক্ত হওয়ায় দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ২৯ হাজার ২৫১ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও তিন হাজার ২৩৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ২৭ হাজার ৮০৯ জনে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাভাইরাস বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বে এখনো করোনাভাইরাস মোকাবেলায় কোন কার্যকরী প্রতিষেধক আসেনি তবে চলমান এই ভাইরাসের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।যদিও ইউরোপ আমেরিকার দেশগুলোতে এখন এই ভাইরাস পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে তবে এশিয়ার দেশগুলোতে এই ভাইরাস এর অবস্থা দিনকে দিন খারাপ পর্যায়ে চলে যাচ্ছে এবং অন্যান্য দেশগুলোতে যেমন দেখা গিয়েছিল কিছু মাস পরে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে এসেছে তবে এশিয়ার দেশগুলোতে সেরকম কিছু ঘটেনি

Sites