বাংলাদেশে এখন আলচিত বিষয় হল আবরার হত্যাকান্ড।আবরার ফাহাদ ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) -এর তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাথে তার জড়িত থাকা নিয়ে সন্দেহ করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠে, এর পর হলের সিসি ক্যমেরায় ফুটেজ দেখে তাদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।





বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদের খুনিদের ফাঁসি হলে মানতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান।

আজ শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার জালকুড়ি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শামীম ওসমান এ মন্তব্য করেন।

আলোচিত এই সংসদ সদস্য বলেন, ’বুয়েটের ঘটনা মেনে নিতে পারছি না। যখন ওই ২০টা ছেলের ফাঁসি হবে, ওইটাও মেনে নিতে পারছি না। ওদের বাবা-মায়ের কী হবে? ওরাও বেস্ট ছাত্র ছিল। ওদের বাবা-মাও একদিন গর্ব করে বলেছিল, "আমার ছেলে বুয়েটে চান্স পেয়েছে।" এসব কী হচ্ছে? আমি মেনে নিতে পারছি না।’

জনগণের ভালোবাসার জন্য রাজনীতি করেন জানিয়ে শামীম ওসমান বলেন, ’আমি এখন মানুষের ভালোবাসার জন্য রাজনীতি করি। অন্য কিছুর জন্য করি না। যেন মৃত্যুর পর লোকজন বলে ইস.. লোকটা চলে গেল।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শামীম ওসমান বলেন, ’তোমার মা-বাবা তোমাকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন, আল্লাহ গাফুরুর রহিম, আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যাতে স্বপ্নটা পূরণ করেন তোমাদের মাধ্যমে। তুমি এতটুকু উপরে যাও, তোমাকে নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি, আমার এলাকার সন্তান অনেক উচু জায়গায় গেছে, দেশের সম্মান বৃদ্ধি করেছে।’

জালকুড়ি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে গভর্নিং বডির সভাপতি এস এম কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়া, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য বদিউজ্জামান বদু, নাসিক ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইসরাফির প্রধান, দাতা সদস্য মো. জাকির হোসেন, অধ্যক্ষ মো. এনায়েত হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সম্পাদক সামসুল আলম বাচ্চু, অভিভাবক সদস্য মো. জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।


উল্লেখ্য,১৯৯৬ সালে ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ওসমান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে অবস্থান হারানোর পরে, তিনি ভারত এবং কানাডায় আত্ম-গোপনে চলে গিয়েছিলেন। প্রায় আট বছর পর, ২০০৯ সালের এপ্রিলে তিনি নারায়ণগঞ্জে ফিরে আসেন, যখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দল ক্ষমতায় ফিরেছিল।

Sites