বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে, রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে আবরারের লাশ উদ্ধার করা হয় বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে৷ এই হলের ১০১১ নাম্বার কক্ষে থাকত আবরার৷




আবরারের হত্যার সংবাদ পড়তে গিয়ে কেঁদে ফেলেছেন এক বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিক। চ্যানেল-২৪ এর ’ফারাবী হাফিজ’ নামের ওই সাংবাদিককে আবরারের দাফনের সংবাদ উপস্থাপনের সময় কান্না করতে দেখা গেছে। এ সময় তার কন্ঠেও জড়তা লক্ষ্য করা যায়। তবে মুহূর্তেই তিনি নিজেকে সামলে নেয়ার চেষ্টা করেন।

মঙ্গলবার ওই সাংবাদিকের এই ভিডিও ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। অনেকেই ওই সাংবাদিকের প্রশংসা করেছেন। ভিডিওটি সামাজিক ম্যাসেঞ্জারে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে দেখা গেছে ব্যবহারকারীদের।

রোববার রাতের আবরার ফাহাদের হত্যার ঘটনায় দেশব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। শিক্ষক-রাজনীতিক, সাংবাদিক ও চিকিৎসকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এ হত্যাকাণ্ডে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। অবিলম্বে তারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন।



প্রসঙ্গত, বুয়েটের হলে ফেরার কয়েক ঘণ্টার মাথায় রাত আটটার দিকে আবরার ফাহাদসহ দ্বিতীয় বর্ষের সাত-আটজন ছাত্রকে শেরেবাংলা হলের দোতলার ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে পাঠান তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাত-আটজন নেতা। তাঁরা আবরার ফাহাদের মুঠোফোন নিয়ে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ঘেঁটে দেখেন


Sites