বর্তমানে সারাদেশে চলছে অভিযান। একের পর এক দুর্নীতি গ্রস্থ নেতাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে এই অভিযানে। আর বলা যেতে পারে প্রাথমিকভাবে বেশ সফলভাবেই চলছে এই অভিযান। ক্যাসিনো ব্যবসা থেকে শুরু করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা মানুষগুলো হচ্ছে গ্রেফতার। আর এই শুদ্ধি অভিযানে অংশ নিয়েছে দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পুলিশ ও র‍্যাব।
ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর এক দুইদিনের মধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট রাজধানী ত্যাগ করে আত্মগোপনে যান বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ।

রোববার দুপুরে র‌্যাব সদর দপ্তরে সম্রাটের গ্রেফতারের বিষয়ে ব্রিফ করেন র‌্যাব প্রধান। তার আগে ভোর রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রাম থেকে সম্রাট ও তার অন্যতম সহযোগী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকে গ্রেফতার করা হয়।

বেনজীর আহমেদ বলেন, ’ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমরা একাধিকবার সম্রাটের নাম পেয়েছি। আমরা যখন ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু করি, তার দু-একদিনের মধ্যে সম্রাট ঢাকা ত্যাগ করেন। আমাদের দীর্ঘদিন সময় লেগেছে উনাকে লোকেট করতে।’

যেখান থেকে সম্রাটকে আটক করা হয়েছে, সেখানে তিনি কত দিন অবস্থান করছিলেন প্রশ্নে র‌্যাবের মহাপরিচালক বলেন, ’গণমাধ্যমে লেখালেখির কারণে আত্মগোপনের জন্য উনি এমন সব পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন, যাতে উনাকে না খুঁজে পাওয়া যায়। সে জন্য এর বেশি গণমাধ্যমে বলা ঠিক হবে না।’

বেনজীর বলেন, ’আমরা ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চালিয়ে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা বন্ধ করেছি। এরপর যারা ক্যাসিনোর সঙ্গে সরাসরি জড়িত, তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি। এরপর আরো যারা যারা জড়িত বা ক্যাসিনো পরিচালনা করেছে, তাদের গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি আমরা।’

এদিকে সম্রাটকে নিয়ে তার কার্যালয়ে অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব। দুপুরে কাকরাইল মোড়ের ভূইয়া ম্যানশনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের এ কার্যালয়ে তালা ভেঙে ঢোকেন র‌্যাব সদস্যরা। এখানেই নিয়মিত বসতেন সম্রাট।


রাজধানির ফকিরাপুলে অভিযানের পর এক এক করে বেরিয়ে আসছে সব হোতাদের নাম এবং তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ তবে র‍্যাবের ভুমিকা এখানে উল্লেখযোগ্য। এই অভিযানে দেখা গেছে অনেক সময় পুলিশ পায়নি কিছু কিন্তু র‍্যাবের কাছে ধরা পড়েছে অনেক কিছুই, মাদক নগদ টাকা ইত্যাদি

Sites