এবারই প্রথম এত মানুষ এই জরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে এসেছে,এর মধ্যে মারাও গেছেন কয়েকজন, ডেঙ্গু বর্তমানে দেশে মহামারি আকার ধারন করেছে,প্রতিদিন হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা,সারাদেশে বেড়েছে ডেঙ্গুর তিব্রতা,সঠিক চিকিৎসার অভাবে প্রান হারাচ্ছেন অনেক মানুষ।


ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যর্থ অযোগ্য বিশ্বাসঘাতক দুর্নীতিবাজদের আজ সবার মতোন শাস্তি চাই

"আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার’ ডেঙ্গুর ভয়াবহতা, মানুষের মৃত্যু দেখে আমার ঘুম আসছে না। নবারুন ভট্টচার্য্যের মতোন বলতে পারি ’এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না’! এতো ক্ষোভ, এতো দ্রোহ, এতো প্রতিবাদ। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর জীবন উৎসর্গ করা সসংগ্রাম নেতৃত্বে, লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত মাতৃভূমি ছেড়ে কোথাও যাবো না।

আজ সকল মানুষের অশ্রুর রঙ এক। সকল মানুষের আর্তনাদ অভিন্ন। গোটা দেশের মানুষের প্রতিবাদের ভাষা এক। এখানে কোন রাজনীতি নেই, বিভেদ নেই। আছে ডেঙ্গুর ভয়াবহতার সামনে আতংক উদ্বেগ উৎকন্ঠা। আছে সবার বেঁচে থাকার, নিরাপদ থাকার গভীর আকুতি।

ঢাকার দুই মেয়ের এডিস মশার প্রজননরোধে সময় মতোন কার্যকর পদক্ষেপ কেনো নিতে পারেননি? আইসিডিডিআরবি মার্চ মাসে এডিসের প্রজননস্থল দেখিয়ে পদক্ষেপ নিতে বললেও কেন নেয়া হয়নি? হাইকোর্ট তিরষ্কার করলেও না। ভেজাল ওষুধ মারার নাটক কেন হলো!

দুই সিটির মশা মারার ৫০ কোটি টাকা কারা লুট করেছে? আইসিসিডিডিআরবি বলেছে, এ ওষুধে মশা মরবে না। তবু কেনো ওষুধ আনা হয়নি? কেন মানুষ যখন জীবন-মৃত্যুর মুখে, ভয়ে তখন মেয়র একে গুজব বলেন? কেন মিনিস্টার রোহিঙ্গাদের মতো এডিস মসার প্রজনন বলে উপহাস করে দেশের বাইরে চলে গেলেন?

সমালোচনার মুখে ফিরে মিনিস্টার সাংবাদিকদের কেন ধমক দিলেন? মানুষ তো অনেকেই ডেঙ্গু রোগ নিয়ে বাড়ি যাবেন ঈদে, যেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেই! যেখানে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসায় মানুষ মরছে সেখানে জেলা উপজেলায় কি হবে? দায়িত্বপালনে ব্যর্থরা রোজ নাটক করে, মশা মারার ওষুধ কবে আসবে কেউ বলে না। আমি আজ একজন নাগরিক হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যর্থদের বিরুদ্ধে বিচার চাই, আমি আজ উদ্বিগ্ন দেশের মানুষের সাথে সমবেতভাবে দোষীদের শাস্তি চাই। এদের শাস্তি দিতেই হবে।


১৯৯২ সালে বাংলাবাজার পত্রিকা দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করা পীর হাবিবর দৈনিক যুগান্তর, আমাদের সময়, আমাদের অর্থনীতি হয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

Sites