বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেছেন, সরকার বিএনপিকে ভয় পায়। সরকার বলে তারা দেশকে অনেক উন্নত করেছে। তাদের অনেক জনপ্রিয়তা আছে। জনগণ তাদের সাথে আছে। ৩০ তারিখে প্রিজাইডিং অফিসারদের বাধ্য করা হয়েছে সিল মারতে। এত বড় একটা ছলচাতুড়ি ও ভোটার বিহীন জাতীয় নির্বাচন হয়ে গেলো। যে নির্বাচনে জনগণ, বিএপির ভোটার, এমনকি আওয়ামী লীগের কর্মীরাও ভোট দিতে পারে নাই। আমাদের এজন্টদের কেন্দ্রের ভিতরে ঢোকতে দেই নাই। নির্বাচন কমিশন বলেছে, নির্বাচনের আগে কোন মামলা হবে না। কিন্তু তারা কথা রাখে নাই। নির্বাচনের আগেই আমাদের নেতা কর্মীর নামে লাখ লাখ মামলা দিয়েছিলো। এটাকে নির্বাচন বলে না। এটা জাতির সাথে তামাশা করা। এতকিছুর পরও আমাদের কর্মীরা বলে, আমরা কেনো আন্দোলন বা কর্মসূচি দেই না কেনো। আমরা কর্মসূচি দিলেই সরকার আমাদের কর্মসূচি বিভিন্ন অযুহাতে বানচাল করে দেই। এখনো আমাদের কর্মীরা বাসায় থাকতে পারে না। এমনও কর্মী আছে, যে ভেন চালায় ও মাছ ধরে। তারাও মামলার কারণে ঘর ছাড়া। যত মামলা হামলা হোক আমাদের কর্মীদের একটা স্বস্তীর মধ্যে নিয়ে এসে আমরা আন্দোলনের কর্মসূচি দিবো।
শনিবার এক টকশোতে তিনি আরো বলেন, যেখানে চুরি চামারি করে দেশ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পথে। বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসন, শিক্ষক, বুদ্বিজীবী ও সমস্থ মানুষের চরিত্র নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এর মূল্য আমরা কি দিয়ে দিব। বিমানের কোন সময় কোন লস হতো না আজ বিমানের পাইলট না থাকার কারণে যেখানে প্রতিদিন তিন কোটি টাকা লস হয়। সেখানে কথিত ও বানোয়াট দুই কোটি টাকার মিথ্যা মামলা দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে তার চেয়ে আর কারো এত জনপ্রিয়তা নেই। উনি ওনার আসন থেকে প্রত্যেক বার বিজয়ী হয়েছেন। ওনার শারীরিক অবস্থা ভালো নেই। তার পরও সরকার তাকে মুক্তি দিচ্ছে না।

সূত্র:আমাদের সময়

Sites

আ.লীগ সরকারকে একদিন মাফ চাইতে হবে ভোট দিতে না দেওয়ার জন্য:হাবিবুর রহমান হাবিব
Logo
Print

মুক্তমত

 

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেছেন, সরকার বিএনপিকে ভয় পায়। সরকার বলে তারা দেশকে অনেক উন্নত করেছে। তাদের অনেক জনপ্রিয়তা আছে। জনগণ তাদের সাথে আছে। ৩০ তারিখে প্রিজাইডিং অফিসারদের বাধ্য করা হয়েছে সিল মারতে। এত বড় একটা ছলচাতুড়ি ও ভোটার বিহীন জাতীয় নির্বাচন হয়ে গেলো। যে নির্বাচনে জনগণ, বিএপির ভোটার, এমনকি আওয়ামী লীগের কর্মীরাও ভোট দিতে পারে নাই। আমাদের এজন্টদের কেন্দ্রের ভিতরে ঢোকতে দেই নাই। নির্বাচন কমিশন বলেছে, নির্বাচনের আগে কোন মামলা হবে না। কিন্তু তারা কথা রাখে নাই। নির্বাচনের আগেই আমাদের নেতা কর্মীর নামে লাখ লাখ মামলা দিয়েছিলো। এটাকে নির্বাচন বলে না। এটা জাতির সাথে তামাশা করা। এতকিছুর পরও আমাদের কর্মীরা বলে, আমরা কেনো আন্দোলন বা কর্মসূচি দেই না কেনো। আমরা কর্মসূচি দিলেই সরকার আমাদের কর্মসূচি বিভিন্ন অযুহাতে বানচাল করে দেই। এখনো আমাদের কর্মীরা বাসায় থাকতে পারে না। এমনও কর্মী আছে, যে ভেন চালায় ও মাছ ধরে। তারাও মামলার কারণে ঘর ছাড়া। যত মামলা হামলা হোক আমাদের কর্মীদের একটা স্বস্তীর মধ্যে নিয়ে এসে আমরা আন্দোলনের কর্মসূচি দিবো।
শনিবার এক টকশোতে তিনি আরো বলেন, যেখানে চুরি চামারি করে দেশ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পথে। বিচার ব্যবস্থা, প্রশাসন, শিক্ষক, বুদ্বিজীবী ও সমস্থ মানুষের চরিত্র নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এর মূল্য আমরা কি দিয়ে দিব। বিমানের কোন সময় কোন লস হতো না আজ বিমানের পাইলট না থাকার কারণে যেখানে প্রতিদিন তিন কোটি টাকা লস হয়। সেখানে কথিত ও বানোয়াট দুই কোটি টাকার মিথ্যা মামলা দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে তার চেয়ে আর কারো এত জনপ্রিয়তা নেই। উনি ওনার আসন থেকে প্রত্যেক বার বিজয়ী হয়েছেন। ওনার শারীরিক অবস্থা ভালো নেই। তার পরও সরকার তাকে মুক্তি দিচ্ছে না।

সূত্র:আমাদের সময়
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.