দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে দুর্নীতি এবং বিভিন্ন মামলায় কারাগারে বন্দি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।তবে তার বিরুদ্ধে আনীত যেসব মামলা গুলো ছিল সেই মামলার অধিকাংশ তাই তিনি মুক্তিলাভ করেছেন তবে কিছু মামলায় এখনো তিনি মুক্তিলাভ করতে পারেননি এবং সেগুলো নিয়ে পর্যালোচনা চলছে বিশেষ করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা কি রয়েছে সেটা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল এছাড়াও বেশকিছু মামলা এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বেড়েছে দুই দফা। বিদেশে না যাওয়া, বাসায় চিকিৎসা নেয়া এ দুটি শর্তে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

আইনি প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়ে সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে শুরু থেকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। অথচ মুক্তির ৮ মাস পর দলটির অভিযোগ, খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দি করে রেখেছে সরকার।

তবে বিএনপির এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে মনে করেন দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম। তিনি বলেন, বেগম জিয়া বাসায় থাকাকালীন দলটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দেখা করছেন, নেত্রী চাইলে আইনজীবীসহ যে কারো সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। তারপরও কেনো গৃহবন্দির অভিযোগ তুলছে বিএনপি?

বিএনপি চেয়ারপারসনের এক আইনজীবী বলছেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

খুরশীদ আলম বলেন, পরিবারের পক্ষের আমন্ত্রণকে স্বাগত জানিয়ে সরকার এটাকে আদেশ জানিয়েছেন। ওনাদের পারমিশন দেয়া হয়েছে। এখানে গৃহবন্দি কেন বলছে?

খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, উনি চাচ্ছেন বাইরে চিকিৎসা করাতে। কিন্তু সরকার শর্ত না দিলে তো বাইরে চিকিৎসা করাতে পারতেন।

দলটির একটি সূত্র বলছে, বেগম জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশি কয়েকটি হাসপাতালে যোগাযোগ করছেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।


মানবিক কারণ দেখিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল এবং সাজা স্থগিত মেয়াদ শর্তসাপেক্ষে দেওয়া হয়েছিল প্রথমে ছয় মাসের মেয়াদের তাকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছিল পরে তার সাজা আবারো স্থগিত করা হয় আইনি প্রক্রিয়ায় বিভিন্নভাবে এর আগে দলটির নেতাকর্মীরা চেয়ারপারসনের মুক্তির জন্য আবেদন করেছিল তবে সেখানে ইতিবাচক কোনো সাড়া পাননি তারা

Sites