আলোচিত সেই বরগুনার রিফাত শরিফের মামলার রায় দেওয়া হয়েছে আজ এবং এই রায়ের মধ্য দিয়ে আসামিদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে এবং আলোচিত এই ঘটনাটি ঘটেছিল গত বছর জুন মাসে তবে পরবর্তীতে এই মামলা শুনানি এবং কয়টি নিষ্পত্তিতে বেশ কিছুটা কালক্ষেপণ হয়েছে কিন্তু তার পরেও দ্রুত সময়ে এই মামলার রায়টি দেওয়া হয়েছে এবং এ রায়ের মাধ্যমে অন্যান্য যেসব মামলাগুলো রয়েছে এধরণের সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি হবে বলে আশাবাদী অনেকে


বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ মামলার রায় ঘোষণা করা হয় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর)। এই মামলায় রায়ে ৬ জনের র আদেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারক রায় পড়বার পুরো সময়জুড়েই শান্ত ও স্থির ছিলেন মিন্নি।

রিফাত মামলার রায়ের দিন ৩৫ মিনিট ধরে রায় পড়েন বিচারক। এসময় মিন্নিসহ অন্যান্য আসামিরা উপস্থিত ছিলেন। রায় শুনেও বিচলিত হননি মিন্নি। তাকে এসময় আতঙ্কিত হতে বা কাঁদতে দেখা যায়নি। রায় ঘোষণার পর এমনটাই জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এম. মজিবুল হক কিসলু।

তিনি এসময় বলেন, বিচারক যখন রায় ঘোষণা করেন, রায়ে ফাঁসির আদেশের কথা শুনেও মিন্নি বিচলিত হননি। তাছাড়া চোখের পানিও ঝরতে দেখিনি। আমি ভেবেছিলাম, ফাঁসির আদেশের কথা শুনে মিন্নি অসুস্থ হবেন বা জ্ঞান হারাবেন, কিন্তু তা দেখা যায়নি। তাকে সুস্থ স্বাভাবিক দেখাচ্ছিল।

মিন্নি ছাড়াও আলোচিত এই মামলায় .. আদেশ পেয়েছেন রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান।

বরগুনার চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় প্রেক্ষিতে এবার রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নি সহ আরো পাঁচজনকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছে আদালত এবং এই শাস্তি পাওয়ার কথা শুনে তারা অঝোরে কেঁদে ফেলে তবে মিন্নিকে দেখা গিয়েছিল স্বাভাবিক অবস্থায় এবং তিনি একেবারেই স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন তবে একরকম নির্বাক ছিল তিনি

Sites