গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার। জানিয়েছেন তিনি ভোটারদের চোখের ভাষা বুঝে গেছেন। বলেছেন, ভোটাররা কৌশলে তাকেই ভোট দিচ্ছে।
মঙ্গলবার ভোট চলাকালে গাজীপুরের বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনের ফাঁকে ঢাকাটাইমসের সঙ্গে কথা হয় বিএনপির এই প্রার্থীর। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।
বেলা ১২টার কিছু পরে কথা হয় হাসানের সঙ্গে। সকাল থেকে তখন পর্যন্ত ভোট নিয়ে মূল্যায়ন কী-জানতে চাইলে হাসান বলেন, ’গ্রেপ্তার, কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া চলছে। নিজেদের মতো করে নির্বাচন করছে সরকারি দলের লোকজন। তারপরও আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। আমি হালুয়া রুটির জন্য রাজনীতি করি না। জনগণ আমার সঙ্গে আছে।’
তবে কারচুপির অভিযোগ করে গেলেও জয়ের আশা ছাড়ছেন না ধানের শীষের প্রার্থী। বলেন, ’আমি শেষ দেখতে চাই। আমি নির্বাচনে থাকব। আমি ভোটারদের চোখের ভাষা বুঝতে পারি। তারা কৌশল অবলম্বন করছে।’
-কী কৌশল সেটা?
’সেটা আপনি না বুঝলেও আমি বুঝি। আমি কত বছর ধরে রাজনীতি করি আপনার জানা আছে? এদের চোখ দেখলেই আমি বলতে পারি ভোট দিছে কি দেয় নাই। একটা কথা আছে ইংরেজিতে ফেইস ইজ দ্যা ইনডেক্স অফ মাইন্ড।’
হাসান সরকার সকাল আটটার পর টঙ্গীতে ভোট দিয়েই ১০টি কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করার অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিবউদ্দিন মণ্ডল জানিয়েছেন, তার কাছে কোনো পক্ষ কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
-গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করলেও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ কেন দেননি?
’আমি তাদের পাচ্ছি না। রিটার্নিং কর্মকর্তা ফোন ধরছেন না। দুজন ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে দেখা হয়েছে, আমি তাদের বলেছি এ বিষয়ে। তারা বলছেন, বিষয়টি দেখবেন।’
-নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছেন কি না...
’সেখানে আমার দলের কেন্দ্রীয় নেতারা কথা বলছেন। কেন্দ্র খেকে বলা হয়েছে আপনি আপনার মত ঘুরতে থাকুন।’
-আপনি বলছেন কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়ার। কিন্তু বেশ কিছু কেন্দ্রে এজেন্ট হতে বিএনপির কেউ আবেদন করেননি বলে জানাচ্ছেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা।
’আমরা সব জায়গায় এজেন্ট দিয়েছি। লোকের অভাব নেই। কিন্তু তাদের বের করে দিচ্ছে পুলিশ এবং সরকারি দলের লোকজন। আমরা কী করব বলেন?’dhakatimes24

Sites