কুয়েতে দীর্ঘদিন থেকেই বিদেশি নাগরিকদের কে ছাটাই করা এবং প্রবাসীদের চাপ কমানোর জন্য কাজ করে চলেছে সরকার সাম্প্রতিককালে করোনা ভাইরাস এর কারনে অনেক প্রবাসীরা পড়েছে বিপদে দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকার ফলে এবং কোন ভাইরাসের সময় তারা দেশে ফিরে এসে চরম বিপদের মধ্যে পড়েছে এরই মধ্যে আবার নতুন খবর দিল কুয়েত বলা হচ্ছে কুয়েতের ইকামা পরিবর্তন নিষিদ্ধ করা হয়েছে তবে এই ঘোষণার প্রভাব বাংলাদেশীদের মধ্যে অনেকাংশে পড়বে যা খুবই দুঃসংবাদ বাংলাদেশী প্রবাসীদের জন্য



কুয়েতে বেসরকারি কোম্পানি থেকে সরকারি খাতে ইকামা পরিবর্তন নিষিদ্ধ করেছে দেশটির শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়। এতে বঞ্চিত হবেন প্রবাসী বাংলাদেশিসহ অন্যান্য দেশের শ্রমিকরা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস ও সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন প্রবাসীরা।

বেসরকারি কোম্পানি থেকে সরকারি সেক্টরে প্রবাসীদের ইকামা পরিবর্তন নিষিদ্ধ করেছেন দেশটির শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়। কুয়েত শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক আহমেদ আল হোসাইন এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দৈনিক আরব টাইম সূত্রে জানা যায় এ ব্যাপারে গৃহিত সিদ্ধান্তটি সরকারি গ্যাজেটে প্রকাশিত হওয়ার পর কার্যকর হবে। এতে আরও জানা যায় এ সিদ্ধান্ত থেকে তিন ক্যাটাগরির লোক বাদ দেওয়া হয়েছে। যারা কুয়েতি নাগরিককে বিয়ে করেছেন, ফিলিস্তিনি নাগরিক এবং চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত নাগরিকরা।

প্রসঙ্গত দীর্ঘদিন থেকে বিদেশি নাগরিক ছাটাই ও কমানোর চাপে রয়েছে সরকার। এ আইন কার্যকরী হলে অনেককেই সরকারী প্রজেক্টে চাকরি পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হবে।

এ নিয়ে কুয়েত সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ দূতাবাসের হস্তক্ষেপে কামনা করেছেন কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকরা। যাতে করে এ সুযোগ গ্রহণে বাংলাদেশিদের বঞ্চিত হতে না হয়।

এক বাংলাদেশি প্রবাসী বলেন, এটা আমাদের জন্য সত্যিকারের একটি দুঃখজনক বিষয়। কারণ এখানে আমাদের অনেক মেধাবান লোক আছে, যারা বিভিন্নভাবে প্রাইভেট কোম্পানিতে এসেছেন। তাদের আকাঙ্ক্ষা ছিলো পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি চাকরি করবেন। সেই ইচ্ছে, আকাঙ্ক্ষাটা আজকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ দেশের সরকারের সাথে বোঝাপড়া করে বা তাদের সাথে কথাবার্তা বলে এই বিষয়গুলো যখন আলোচনা করবেন তখন যেন প্রবাসীদের স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয় সেই আহবান জানান প্রবাসীরা।

চলমান কোন ভাইরাসের কারণে বিপর্যস্ত গোটা পৃথিবী। বিশেষ করে ইউরোপ আমেরিকার দেশগুলোতে এখন বেশ নাজুক অবস্থা চলছে যদিও ঐসকল দেশগুলোতে এই ভাইরাসের মহামারি সবথেকে বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছিল যার ফলে অর্থনৈতিকভাবে তারা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে তবে শুধুমাত্র ইউরোপ আমেরিকার দেশগুলো নয় মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে ব্যাপকভাবে লক্ষ্য করা গিয়েছিল যার ধারাবাহিকতা এখনো রয়েছে তবে চলমান এই অবস্থার মধ্যে তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় এবং কর্মীদেরকে ছাঁটাই করে দেয় এর ফলে বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা বেশ বিপাকের মধ্যে পড়ে যায়

Sites