কর্ণ ভাইরাসের মহামারী কে সারাবিশ্বে একরকম স্থবির অবস্থায় পড়ে গিয়েছে মানুষ যদিও এই ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক এখনো পর্যন্ত বাজারে আসেনি যেটা দিয়ে স্বীকৃত ভাবে এই ভাইরাস নির্মূল করা সম্ভব তবে আশাজাগানিয়া অনেক ভ্যাকসিন এসেছে যেগুলো বলা হচ্ছে খুবই কার্যকর হবে তবে এখন পর্যন্ত সেটি ঢালাওভাবে মানুষের উপর প্রয়োগ করা হয়নি যেটা দিয়ে বলা যাবে যে এটি আসলেই কার্যকর তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা আশার আলো দেখছেন এবং মানুষও আশায় বুক বেঁধে আছে এই ভাইরাস পৃথিবী থেকে নির্মূল হবে




করোনাভাইরাস নির্মূলে মার্কিন বায়োটেক ফার্ম মর্ডানার তৈরি ভ্যাকসিন অতিমাত্রায় আশাব্যঞ্জক বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অ্যান্থনি ফউসি। পরপর দু’টি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা প্রমাণের ফলে মেসেঞ্জার আরএনএ প্রযুক্তি নিয়ে বিদ্যমান সন্দেহও দূর হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সোমবার বার্তা সংস্থা এএফপি’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ডা. ফউসি জানান, তিনি ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ কার্যকর ভ্যাকসিনেই সন্তুষ্ট হয়ে যেতেন। কিন্তু ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ কার্যকর ভ্যাকসিন পাওয়া আশ্চর্যজনক আশাব্যঞ্জক। ভ্যাকসিনটি এতটা সফল হবে তা কেউই আশা করেননি।

গত জানুয়ারিতে মডার্নার সঙ্গে যৌথভাবে করোনা ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (এনআইএআইডি)। এক্ষেত্রে তারা বেছে নিয়েছিল মেসেঞ্জার আরএনএ বা এমআরএনএ পদ্ধতি। তবে আজ পর্যন্ত এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি কোনও ভ্যাকসিনই অনুমোদন পায়নি।

এ বিষয়ে এনআইএআইডি প্রধান ডা. ফউসি বলেন, অনেক লোক রয়েছেন যাদের আগে কখনো চেষ্টা করা হয়নি এমন কিছু ব্যবহারের বিষয়ে আপত্তি রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, কিছু লোক এর জন্য আমাদের সমালোচনাও করেছেন।



গত সোমবার মডার্না ও এনআইএআইডি ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের ওপর চালানো ট্রায়ালের প্রাথমিক ফলাফলের ভিত্তিতে তাদের ভ্যাকসিন ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ কার্যকর বলে ঘোষণা দেয়। স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে মাত্র ৯৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এদের মধ্যে সাধারণ প্ল্যাসেবো গ্রুপে ছিলেন ৯০ জন। বাকি পাঁচজন ভ্যাকসিন নেয়ার পরে অসুস্থ হন। সেক্ষেত্রে, ভ্যাকসিনটির সফলতার হার দাঁড়ায় প্রায় ৯৫ শতাংশ।

এর আগে, গত সপ্তাহে আরেক মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট ফাইজার এবং জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেক তাদের করোনা ভ্যাকসিনকে ৯০ শতাংশ কার্যকর ঘোষণা দিয়েছিল।

এক সপ্তাহের এমআরএনএ-ভিত্তিক দু’টি ভ্যাকসিনের সফলতার খবরে এর কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ দূর হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. ফউসি বলেন, যখন আপনার কাছে এমন দু’টি ভ্যাকসিন রয়েছে যা ৯০ শতাংশের বেশি কার্যকর প্রমাণিত, আমার মনে হয় এতেই বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর আর কিছু প্রমাণের দরকার নেই।

তিনি বলেন, ডেটা তার হয়ে কথা বলছে, আমি নই। এটা আমার মতামত নয়, ডেটার দিকে দেখুন।

তবে এসব ভ্যাকসিনের বিষয়ে এখনও কিছু প্রশ্নের উত্তর অজানাই রয়েছে। যেমন- এর কার্যকারিতার স্থায়ীত্ব।


ভ্যাকসিনগুলো কতদিন কার্যকর থাকবে এমন প্রশ্নের উত্তরে মার্কিন এ বিশেষজ্ঞ বলেন, এটি এক বছর, দুই বছর, তিন বছর, নাকি পাঁচ বছর থাকবে, তা এখনও জানি না।

প্রাথমিক ফলাফলে অসাধারণ কার্যকারিতা প্রমাণের ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ভ্যাকসিনগুলো যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমতি পেতে পারে। তবে শুধু অনুমতি পেলেই হবে না, এটি সঠিকভাবে ব্যবহারও করতে হবে।

এ বিষয়ে ডা. ফউসি বলেন, মানুষকে ভ্যাকসিন গ্রহণে রাজি করাতে হবে। কেউ যদি গ্রহণই না করে তাহলে ভ্যাকসিনের উচ্চমাত্রায় কার্যকারিতা কোনও কাজেই আসবে না।

সারাবিশ্ব চলছে করনা ভাইরাসের সংক্রমণ এবং বলা যায় বিশ্বের সকল দেশেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এখনো পর্যন্ত এই ভাইরাসের সংক্রমণ কমার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না উল্টো ক্রমশ বেড়ে চলেছে সংক্রমণ এবং আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ অনেকেই চলে যাচ্ছে না ফেরার দেশে তবে সারাবিশ্বে বছরের মাঝামাঝি সময়ের দিকে খানিকটা কম ছিল এই ভাইরাসের সংক্রমণ তবে আবার বছরের শেষের দিকে আগের মতোই শুরু হয়েছে এর দাপট

Sites