আমাদের চোখে এই লোকটি ভয়াবহ একজন অপরাধী, কিন্তু পুলিশ তাকে অসুস্থ দেখিয়ে চিকিৎসা করাতে নিয়ে গেছে। হয়তো জামিনও হয়ে যাবে, কিন্তু আরেকটা রিশার মতোন ঘটনা যে ঘটবে না, তার নিশ্চয়তা কে দেবে!
জানা গেছে, মিরপুরের একটি কলেজে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে একটি মেয়ে গত রবিবার সকাল ৮টায় কলেজে যাওয়ার পথে রাস্তা পার হওয়ার সময় এই লোকটি আচমকা মাঝ রাস্তায় তার পথরোধ করে এবং তার শ্লিলতাহানীর চেষ্টা করে। মেয়েটি ঘটনার আকস্মিকতায় খেই হারিয়ে ফেলে। ব্যক্তিজীবনে সে সাহসী মনের হলেও ওইসময়ে সে  ওই লোকটিকে ধরতে ব্যর্থ হয়। এই ঘটনায় সে মানসিকভাবে অনেকটাই অসুস্থ হয়ে পড়ে, এবং পরের দিন কলেজে যায় না।
একদিন পরে সকালে সে যখন কলেজের খুব কাছে পৌঁছায়, তখন সেই ব্যক্তি রাস্তায় তার সঙ্গে নোংরা আচরণ করে। পরে মেয়েটির চিৎকারে আশেপাশে থাকা গার্ডিয়ানরা ছুটে আসেন এবং তাকে ধরে ফেলে।
এরপর কাফরুল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ওই ব্যক্তির নামে একটি মামলা করা হয়। কিন্তু পুলিশ তাকে অসুস্থ দেখিয়ে সোহরাওয়ার্দি হাসপাতালে ভর্তি করায়। এবং এখনও সেখানেই চিকিৎসার নামে আছে সে।
এদিকে মেয়েটি এবং তার পরিবার এই ঘটনার পর থেকে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে। তাদের আশংকা, পুলিশ টাকা খেয়ে হয়তো ওই ব্যক্তিকে জামিন দিয়ে দিবে। ছোট বাচ্চা মেয়েটা মানসিকভাবে অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মেয়েটির পরিবার সাংবাদিক বন্ধু, বড় ভাই-বোনের কাছে সহযোগিতা চেয়ে বলেছে, আর কোনো মেয়ে যেন রিশা, তনুর মতো হারিয়ে না যায়, এই কুলাঙ্গাররের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয়, তাকে যেন আইনের আওতায় আনা হয়।
এই সেই মামলার নথিপত্রের কপি। লোকটির নাম তানভীর আহসান, বয়স ৩৩, বাবার নাম মো. রফিকুল ইসলাম, উত্তর কাজীপাড়া, কাফরুল নিবাসী। আদিবাস আফতাব কুটির ব্রাউন কোম্পানি, বরিশাল সদর।




taza-khobor              

Sites