জয়া আহসান বা জয়া মাসউদ হলেন একজন বাংলাদেশী মডেল ও অভিনেত্রী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্রেও কাজ করেন। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দুটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পূর্ব, ছয়টি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার,দুবার ভারতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং আরও অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন। রেদওয়ান রনি পরিচালিত চোরাবালি চলচ্চিত্রে সাংবাদিক নবনী আফরোজ চরিত্রে অভিনয় করে টানা দু’বার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।



আগামী ৮ নভেম্বর শুক্রবার বাংলাদেশের ২২টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে জয়া আহসান অভিনীত কলকাতার আলোচিত ছবি ’কণ্ঠ’। ছবিটি ’সাফটা’ চুক্তির নীতিমালা মেনে বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে। এদিকে ’কণ্ঠ’ জয়া অভিনীত প্রথম কোনো ভারতীয় ছবি, যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে!

ছবিটির মুক্তি উপলক্ষে ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ছবিটির প্রিমিয়ার শোতে অংশ নেওয়ার জন্য আজ ৬ নভেম্বর ঢাকায় আসছেন ছবির নির্মাতা নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং ’কণ্ঠ’ ছবির অভিনেত্রী পাওলি ধাম।

কলকাতার চলচ্চিত্রে এই সময়ের অন্যতম সেরা নির্মাতা শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। তার নির্দেশিত সিনেমা মানেই হিট! প্রাক্তন, বেলাশেষে, হামি, পোস্ত’র মতো ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের এই নির্মাতা বর্তমানে বাংলাদেশে আছেন।

ছবিটি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে গতকাল বুধবার (৬ নভেম্বর) ঢাকার তেজগাঁওয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ছবিটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্মস লিমিটেড। ছবির প্রধান অভিনয়শিল্পী জয়া ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছবির পরিচালক নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।

সেখানেই জয়াকে নিয়ে এই মন্তব্য করেন প্রাক্তন, বেলাশেষে, হামি খ্যাত এই পরিচালক। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত মতামত যদিও, আমার মনে হয় বাংলা ভাষায় জয়া আহসানের মতো অভিনেত্রী এই উপমহাদেশে আর একটিও নেই। শুধু বাংলা ভাষায় কেন বলছি, মূলত জয়ার মতো অভিনেত্রী ভারতবর্ষে আর একটিও নেই। তার মতো এতো পারফেকশান, আমি কারো মধ্যে দেখিনি।

ছবিতে জয়ার চরিত্র নিয়ে শিবপ্রসাদ বলেন, সিনেমায় কিছু চরিত্র থাকে, যেগুলি স্পেসিফিক মানুষের জন্যই তৈরি হয়ে থাকে, সেটা কোনো না কোনো ভাবে সেই উপযুক্ত শিল্পীটাকেই চরিত্র খুঁজে নেয়। কণ্ঠ’র রমিলা চরিত্রটি জয়া আহসান ছাড়া আর কেউ করতে পারতো না। রমিলা চরিত্রটিই আসলে জয়াকে খুঁজে নিয়েছে।


উল্লেখ্য,শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় হলেন একজন বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা। তিনি নন্দিতা রায়-এর সঙ্গে ইচ্ছে পরিচালনা করেন এবং বাণিজ্যিক সাফল্য পান। তিনি বহু বাণিজ্যিক ভাবে সফল বাংলা চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন। বেলাশেষে, প্রাক্তন, ইচ্ছে, অলিখ সুখ, মুক্তধারা, অ্যাকসিডেন্ড, পোস্ত প্রভৃতি চলচ্চিত্র তিনি পরিচালনা করেছেন।

Sites