১৯৯৭ শাহরুখ সুলতান পরিচালিত সালে হিন্দি ছবি ’এক থা দিল এক থি ধাধকান’ ইশা কোপ্পিকার প্রথম ছবি বলে জানা যায়,তবে এই প্রকল্পটি প্রকাশিত হওয়ার কোনও প্রমাণ নেই। তাঁর কেরিয়ারটি ১৯৮৯ সালে তেলুগু চলচ্চিত্র চন্দ্রলেখা দিয়ে দিয়ে শুরু করেছিলেন বলে জানা যায়। তিনি ফিল্মফেয়ার সেরা মহিলা আত্মপ্রকাশ পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছিলেন তার তামিলের প্রথম চলচ্চিত্রটি প্রশান্তের বিপরীতে কদল কবিধাই।


বলিউডে কাস্টিং কাউচ নতুন কিছু নয় আরে এটা আবারও প্রমাণ দিলেন অভিনেত্রী ইশা কোপিকার। জনপ্রিয় এক অভিনেতা ছবিতে কাজ করার আগে তাকে একা দেখা করার কথা প্রস্তাব দেন বলে ইশা জানান।

সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলেছেন ইশা। অভিনেত্রী বলেন, বলিউডে কাজ করতে গিয়ে নানান সময়ে নায়িকাদের এই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে তিনিও একজন।

ইশা বললেন, ’ ছবির এক প্রযোজক আমাকে ফোন করে জানান, ছবিতে তুমি প্রধান নায়িকা এবং ছবির মুখ্য অভিনেতাকে ফোন কর। কারণ তাদের গুড বুকে থাকতে গেলে তোমাকে তাদের মত চলতে হবে। কথামতো আমি ফোন করি, তিনি আমায় তার শিডিউল জানালেন। ওই অভিনেতা সকালে তাড়াতাড়ি ওঠেন এবং সবকাজ করেন। তিনি আমাকে দেখা করার কথাও বললেন।

এরপর অভিনেতা আমাকে প্রশ্ন করেন ’তোমার সঙ্গে কে আসছে? আমি উত্তরে জানালাম গাড়ির চালক।’ এরপর তিনি একা দেখার করার কথা বলেন। এই কথা শোনার পর বিষয়টা বুঝতে আমার বেশি সময় লাগেনি। উত্তরে আমি তাকে জানাই,’ আমার হবে না’। পরে কোনও দিন দেখা করব।’

অভিনেত্রী আরও জানালেন, ’আমি প্রযোজককে ফোন করে বললাম আপনি নিশ্চয়ই আমার যোগ্যতা দেখে ছবিতে কাস্ট করেছেন। কিন্তু সামান্য একটা রোলের জন্য আমি এই কাজ করতে পারব না। আর আমিও সেই অভিনেতার সঙ্গে কোনও দিনও কাজ করতে চাই না।’


উল্লেখ্য,২০০০ সালে চারটি কন্নড় ছবি থেকে সময় বের করে, কপ্পিকার খালিদ মোহাম্মদের ফিজায় করিশ্মা কাপুর এবং হৃতিক রোশনের সাথে হাজির হয়েছিলেন। প্রকাশ ঝা এর রাহুলের আইটেম নম্বর উপস্থিতি কপ্পিকারের হিন্দি ছবিতে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল।

Sites