সম্প্রতি না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ।তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন ব্রিলিয়ান্ট অফিসার ছিলেন এবং তিনি যখন সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন তখন সবার সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল তার এবং তিনি যতদিন পর্যন্ত সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন ততদিন পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দেশের জন্য কাজ করে গেছে এরপর স্বেচ্ছায় তিনি অবসর নেন তবে কেন তিনি অবসর নিয়েছিলেন সেটি এখনো জানা যায়নি।
মেজর সিনহা ঘটনা সর্ম্পকে কিছুই জানেন না পুলিশের দাযেরকৃত দুই পাবলিক স্বাক্ষী। তাদের মতে সিনহা ঘটনা চোখেও দেখেননি, কানেও শোনেননি। কিন্তু হয়েছেন ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সাক্ষী। পুলিশ তাদের ডেকে নিয়ে সাদা কাগজে সই দিতে বলেছেন। কিসের জন্য এই স্বাক্ষর নেয়া হচ্ছে তা পুলিশ তাদেরকে বলেনি।

তাদের দাবি, এক প্রকার ভয়েই পুলিশের কথা মত সাদা কাগজে সই করে বনে গেছেন দেশের আলোচিত চাঞ্চল্যকর মামলার ঘটনার সাক্ষী। পুলিশের উল্লেখিত তিন সাক্ষীর মধ্যে দুজনেই এমন তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশের দায়েরকৃত মামলার এজাহার মতে, মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান ঘটনায় পৃথক যে দুইটি মামলা থানায় রেকর্ড হয়েছে সেখানে পুলিশ সদস্য ছাড়াও সাক্ষী করা হয়েছে স্থানীয় তিনজনকে। তারা হলেন টেকনাফের মারিশবুনিয়ার নুরুল আমিন, মো আইয়াস ও মোহাম্মদ হামিদ।

মামলার এক নম্বর সাক্ষী নুরুল আমিন সাংবাদিকদের কাছে জানান, সিনহা ঘটনা নিজের চোখে কিছুই দেখেননি তিনি। পাশাপাশি শুনেছেনও অনেক পরে। যে সময় শুনেছেন ওই সময় সিনহার কোনো আলামতও ঘটনাস্থলে ছিল না।

একইভাবে মামলার আরেক সাক্ষী মারিশবুনিয়ার মো. আইয়াস সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে ডেকে নেয়া হয় আমিনসহ তাকে। পরের দিন সকালে টেকনাফ থানায় নিয়ে স্বাক্ষর করানো হয় সাদা কাগজে।

আইয়াস আরো বলেন, আমি স্বেচ্ছায় সাক্ষী দিই নাই। জোর করে অনেকগুলো কাগজে সই করাইছে পুলিশ। কিন্তু প্রতিবাদ বা জিজ্ঞেস করার সাহস ছিল না। কারণ জানতে চাইলেই হয়তো আসামি করে দিত। তাই কথা না বাড়িয়ে অনেকগুলি কাগজে এক সঙ্গে স্বাক্ষর নিয়েছে থানা পুলিশ। পরে দুপুরের দিকে পুলিশের অনুমতি নিয়ে চলে আসি।

এদিকে বর্তমান সময়েও উপরোক্ত সাক্ষীরা ভয়ের মধ্যে আছেন বলে জানান তারা।

তবে মেজর (অব.) সিনহা রাশেদের ঘটনায় বর্তমান টেকনাফ থানার দায়িত্বে থাকা (পরিদর্শক তদন্ত) এবিএমএস দোহাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, সিনহা ঘটনা নিয়ে পুলিশ ও তাদের পরিবারের দায়ের করা মামলা নিয়ে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও একটি উচ্চতর টিম তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সুতারাং সমস্ত অভিযোগ অনুযোগ শুনে তদন্তকারী কর্মকর্তারা সঠিক ব্যবস্থা নেবেন।


সাবেক মেজর মোহাম্মদ রাশেদ এর ঘটনা বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে আলোচিত একটি বিষয় প্রতিনিয়ত এই ঘটনার নতুন নতুন দিক প্রকাশ পাচ্ছে এবং সামনে আসছে অনেক তথ্য সেই সাথে অনেক রহস্য এখনও উদঘাটন হতে বাকি আছে এর মধ্যে গণমাধ্যমগুলোতে এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে সিনহা মোহাম্মাদ রাশেদের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে মানুষ এবং একের পর এক প্রশ্ন আসছে মানুষের মনে সেইসাথে অভিযুক্তদের উপযুক্ত বিচার এবং কি কারনে তারা এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে সেগুলো উদ্ঘাটন করার দাবি জানাচ্ছে তারা

Sites