বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) -এর তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফহাদের ঘটনায় স্তব্ধ সারা দেশ। এখনো শোকের মাতম চলছে সারা দেশে। দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফুসেঁ উঠেছে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে। তারা শুরু করেছে আন্দোলন। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাবে এই আন্দোলন। ইতিমধ্যে বিচারের আও্তায় আনা হয়েছে দোষিদের।


শোকের পাথর বুকে নিয়ে এখনও ডুকরে ডুকরে কাঁদছেন ছাত্রলীগের নির্যাতনে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মা রোকেয়া বেগম।


রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আমার ছেলের জন্য আজ সারা দেশের ছেলেরা মাঠে নামছে। আমার ছেলে চলে গেছে, কিন্তু তারা সবাই আমার সন্তান। আমি চাই তাদের উপর যেন কোথাও কোনো অত্যাচার করা না হয়।

আবরারের মা বলেন, আমার ছেলের ওপর যা ঘটেছে তার সবই ভিডিও ফুটেজে আছে। এরপরও কি তার নিশ্চিত হতে পারছে না যে কারা মেরেছে, এরাতো সবাই চিহ্নিতই হয়ে গেছে, এদের জন্য কি কোর্টের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার রায়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে? এদের বিচার করতে তো কোর্টের দীর্ঘ সময় অপেক্ষার দরকার নেই।

তিনি বলেন, আমার সোনার টুকরা ছেলে, যার বিরুদ্ধে কোনোদিন একটা খারাপ আচরণের অভিযোগ নেই, তাকে পিটিয়ে মেরেছে, তাদের বিচার কেন দ্রুত হবে না? এর জন্য কেন আজ আমাকে কোর্টের বিচারের অপেক্ষায় থাকতে হবে? আমি চাই অতি দ্রুত তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির জায়গাতে পৌঁছে দেয়া হোক।


প্রসঙ্গত,আবরার ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) -এর তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাথে তার জড়িত থাকা নিয়ে সন্দেহ করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে যে শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ভোঁতা জিনিসের মাধ্যমে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে

Sites