সারা দেশে এখন প্রতারকদের ছড়াছড়ি, কর্মক্ষেত্র হোক বা বাজার সবখানেই প্রতারনার ছড়াছড়ি।প্রতারনার জালে অতিষ্ট সাধারন মানুষ।চিকিৎসা খাতে শিক্ষা খাতে এমন কি আইন পেশায় ও প্রতারনার কমতি নেই।কিছু সময় থেকে জানা যায় কেউ নাকি এস এস পাশে ডাক্তার হয়েছেন কেউ আবার হাসপাতালের বাবুর্চি থেকে সিভিল সার্জন হয়েছেন কেউবা কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই চিকিৎসক।




বার কাউন্সিলের সনদ ছাড়াই নিজেকে আইনজীবী পরিচয় প্রদানকারী এক নারীকে আটক করেছে ঢাকা আইনজীবী সমিতির টাউট উচ্ছেদ কমিটি।

আজ মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটককৃত নারী টাউটের নাম নাজমা সুলতানা।

ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ জুয়েল শিকদার ল’ইয়ার্স ক্লাব বাংলাদেশ ডটকমকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ ব্যাপারে আইনজীবী জুয়েল শিকদার বলেন, আটকের পর এই নারী নিজেকে আইনজীবী দাবি করলেও স্বপক্ষে প্রমাণ দেখাতে পারেননি। আইনের ডিগ্রী আছে দাবি করলেও কোন সনদ দেখাতে পারেননি।

বহুদিন ধরেই আদলত অঙ্গনে নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছেন এই নারী। ভিজিটিং কার্ডে নিজের পরিচয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি একাধারে ঢাকা জজ কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।

আটকের পর এই নারী টাউট দাবি করেন, ১২ বছর ওকালতি করলে সনদ লাগে না। তিনি ইতোমধ্যে জজ কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে ১২ বছর প্র্যাকটিস করেছেন ফলে তার সনদের প্রয়োজন নেই।

উদাহরণস্বরূপ এই প্রতারক বলেন, ১২ বছর জমি দখলে থাকলে যেমন জমির মালিকানা লাগে না তেমনি ১২ বছর ওকালতি করলেও সনদ লাগে না।

ঢাকা আইনজীবী সমিতি সূত্র জানান, আটকের তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে এসব অদ্ভুত কথা বলতে থাকেন ওই নারী। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানা গেছে।



প্রসঙ্গত,উকিল হলেই তাকে আমরা আইনজীবী বলি, মূলত কেউ যদি আইন সম্পর্কিত কোনো পেশায় নিয়োজিত থাকে তবেই সে আইনজীবী পরিচয় দিতে পারবে।’ এই বিষয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আলাদা করে দেখার কোন সুযোগ নেই।এর আগে - ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয় দানকারী নাজমুন নাহার নামক এক নারীকে আটক করে সমিতির নেতৃবৃন্দ।

Sites